আচরণ
প্রথম দেখা: দুই মানুষ, দুই কুকুর
দুই মানুষ, দুই কুকুর, একটা প্রথম দেখা: সঠিক জায়গা আর একটু ধৈর্য দিয়ে শুরুটা ভালো হয়। আর সন্দেহ হলে তোমরা স্রেফ থেমে যাও।
তোমরা লিখে ঠিক করেছ, সব মিলছে – এখন প্রথমবারের মতো দেখা করছ: দুই মানুষ, দুই কুকুর, যারা এখনও একে অপরকে চেনে না। কয়েকটা সহজ নিয়ম মেনে চললে এটা একটা ভালো শুরু হয়ে ওঠে।
সঠিক জায়গা
বাইরে দেখা করো, অনেকটা জায়গাসহ, এমন একটা জায়গায় যেখানে দুই কুকুরের কেউই নিয়মিত যায় না – যেমন একটা বড় মাঠে। বাসা, বাগান বা চেনা হাঁটার রুট এর জন্য উপযুক্ত নয়: এমন জায়গা অনেক কুকুর রক্ষা করার চেষ্টা করে। খেলনা আর চিবানোর জিনিস বাড়িতে রেখে এসো, যাতে ঝগড়ার মতো কিছু না থাকে।
ধীরে ধীরে কাছে আসা
কুকুরদের যোগাযোগ হওয়ার আগে প্রথমে তোমরা নিজেরা কথা বলো। এরপর দূরত্ব রেখে পাশাপাশি একই দিকে হাঁটো, একে অপরের দিকে নয়। দুজনেই ঢিলেঢালা থাকলে ধীরে ধীরে দূরত্ব কমাও। এসময় জাল-দড়ি ঢিলে রাখো, যাতে তোমার কুকুর সরে যেতে পারে। প্রথম যোগাযোগের সময় এই নিয়ম মানো: সরাসরি সামনাসামনি নয়, একটু শুঁকতে দাও, তারপর এগিয়ে যাও।
পুরো কুকুরটাকে দেখো
লেজ নাড়ানো মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আনন্দ নয়, অনেক সময় উত্তেজনাও। তাই সবসময় পুরো কুকুরটাকেই দেখো। সে যদি ঢিলেঢালাভাবে হাঁটে, মাঝেমধ্যে মাটিতে শুঁকে দেখে আর তোমার কথা শোনে, তাহলে সব ঠিক আছে। আর সে যদি শক্ত হয়ে যায়, অন্য কুকুরের দিকে একটানা তাকিয়ে থাকে, পিছিয়ে যায় বা পরিশ্রম ছাড়াই হাঁপাতে থাকে, তাহলে পরিস্থিতি তার জন্য অনেক বেশি – তখন দূরত্ব বাড়িয়ে দাও। আর গর্জন করাকে কখনো শাস্তি দিয়ো না: এটা একটা সতর্কবার্তা, যা আরও খারাপ কিছু ঠেকাতে সাহায্য করে।
সন্দেহ হলে থেমে যাও
একটা থেমে যাওয়া দেখায় কোনো ক্ষতি নেই। যে কোনো সময় দুজনেই থামিয়ে দিতে পারে, স্রেফ একটা খারাপ অনুভূতি হলেও। এরপর শান্তভাবে আলাদা আলাদা দিকে চলে যাও। প্রতিটা কুকুর আলাদা: একজনের জন্য যা সহজ, অন্যজনের জন্য তা অনেক বেশি হয়ে যেতে পারে। তোমার কুকুরের যদি দেখা-সাক্ষাতে বারবার সমস্যা হয়, তাহলে সাহায্য নাও – প্রথমে পশু-চিকিৎসালয়ে, ব্যথা আছে কি না তা বাদ দিতে, তারপর কুকুরের আচরণ বিশেষজ্ঞদের কাছে।